মরিয়ম খেজুরের ইতিহাস পরিচিতিঃ
মারিয়াম (আ.) গর্ভবতী হন এবং নির্দিষ্ট সময়ে প্রসব বেদনা উপলব্ধি করেন। এ কারণে নিরুপায় হয়ে দূরে চলে যান। জনমানবহীন বিরান প্রান্তরে তিনি একটি খুরমা খেজুরগাছে হেলান দেন।
সেখানে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) তাঁকে অভয় দেন।মহান আল্লাহ মারিয়াম (আ.)-কে বিশেষ নিয়ামতে সিক্ত করেন। তাঁর নিচ থেকে পানির প্রবাহ আর মাথার ওপরের খুরমাগাছ থেকে তরতাজা খেজুর দান করেন। ফেরেশতা তাঁকে অভয় দিয়ে বলেন, দুঃখ কোরো না। মহান আল্লাহ পানাহারের উত্তম ব্যবস্থা করেছেন। এই সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে মারিয়াম (আ.) শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে জীবন ধারণ করেন। এ ঘটনার আলোকে মুসলিম মনীষীরা বলে থাকেন, একজন গর্ভবতী নারীর জন্য উত্তম খাবার হলো তরতাজা খেজুর।সেই থেকে মরিয়ম খেজুরের নাম করন করা হয়।
খেজুরের উপকারিতাঃ
পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে।













Reviews
There are no reviews yet.