সব রকমের বাদামের সংমিশ্রণ “মিক্সড বাদাম” যাতে রয়েছে শুধুমাত্র ৫ টি বাদামের মিশ্রণ এবং সঠিক পরিমাণে যাতে কোন ড্রাই থাই ফ্রুটস মিক্স করা নেই।
আমাদের মিক্সড বাদামে পাচ্ছেনঃ
১) প্রিমিয়াম কাজুবাদাম
২) প্রিমিয়াম কাঠবাদাম
৩) রোস্টেড বড় চিনাবাদাম
৪) রোস্টেড পেস্তাবাদাম।
৫) আখরোট।
প্রতিটি বাদাম পাবেন সমান পরিমাণে।
বড় চিনাবাদামঃ
চিনাবাদামে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি।
আখরোটঃ
এই বাদামটি দেহের হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন বিদ্যমান।সুস্থ থাকার জন্য হৃদযন্ত্র বা হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। আর আপনাকে এই কাজে সাহায্য করতে পারে আখরোট। এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের জন্য উপকারী। আপনি যদি প্রতিদিন কয়েকটি করে আখরোট খান তবে তা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে। এটি আমাদের শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস করে এবং ভালো কোলেস্টেরলের বাড়াতে সাহায্য করে। তাই হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে নিয়মিত আখরোট খান।মরণঘাতি রোগ ক্যান্সার থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে আখরোট। এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, পলিফেনলস এবং ইউরোলিথিন অ্যান্টি-ক্যান্সার বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। তাই স্তন, কোলন এবং প্রোস্টেট রোধে বড় ভূমিকা রাখে আখরোট। আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ জানিয়েছে আখরোট খেলে তা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
হাড় শক্ত করে
হাড়ের দুর্বলতা দেখা দিলে সতর্ক হোন। কারণ সেখান থেকে দেখা দিতে পারে আরও অনেক সমস্যা। হাড় ভালো রাখতে নিয়মিত আখরোট খান। এতে আছে আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড নামে একটি প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে আখরোটে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডও হাড় ভালো রাখে।
গর্ভাবস্থায় উপকারী
গর্ভবতী নারীর জন্য প্রতিদিন আখরোট খাওয়া উপকারী। আখরোটে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যেমন ফোলেট, রাইবোফ্লাভিন এবং থিয়ামিন। এগুলো হবু মায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। আখরোটে থাকা ফলিক এসিড গর্ভবতী ও অনাগত সন্তানের জন্য উপকারী।
পেস্তা বাদামঃ
পেস্তাবাদাম রান্নার কাজে বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া রক্ত শুদ্ধ করতে অনেক কাজ করে। এতে আছে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন। পুষ্টিগুণ এবং শারীরিক উপকারিতার দিক থেকে পেস্তা বাদামের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ পেস্তা বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকার পাশাপাশি এতে রয়েছে মোনোয়ানস্যাচুরেটেড ও পলি আনস্যাচুরেটেড অয়েল, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন-ই।
এছাড়াও এই বাদামে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড, যা বিভিন্ন রকমের রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী। এই খাবারটি আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে এত দ্রুত কাজ করা শুরু করে যে নিমিষেই আমাদের ক্লান্তি ভাব দূর হয়ে যায় এবং মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। এছাড়া আপনার পছন্দের খাবারের স্বাদ ও গুণাগুণ আরো বাড়াতে পেস্তাবাদামের অবদান অতুলনীয়।
কাজু বাদামঃ
কাজু বাদাম খেতে অনেক মুখরোচক হয়। কাজু বাদামের মধ্যে আছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম। কাজুবাদাম খেতে আমরা সবাই খুব ভালোবাসি। কেক হোক কিংবা চকোলেট, পায়েস হোক বা চাটনি, কাজুবাদাম সব কিছুতেই কাজুবাদাম আমাদের খুবই পছন্দের। তবে কাজুবাদাম যে শুধুমাত্র স্বাদের জন্য খাওয়া হয় তা কিন্তু নয়। কাজুবাদামের অনেক গুণাগুণ রয়েছে। অন্যান্য বাদামের তুনায় শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী এই বাদাম। এতে প্রচুর পরিমানে ক্যালোরি রয়েছে। ডায়টিশিয়ান, নিউট্রিশিয়ান এবং সমস্ত চিকিত্সকেরাই শরীরের জন্য কাজুবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন। এমনকি যাঁরা ওজন কমানোর জন্য ডায়েট কন্ট্রোল করছেন, তাঁদেরকেও এই বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিত্সকেরা।
কাঠবাদামঃ
কাঠবাদামে আছে ভিটামিন “বি” “ই” ও “ডি”, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস! এছাড়াও রয়েছে প্রচুর মিনারেলস স্মৃতিশক্তি_প্রখর_করে_কাঠবাদাম। কাঠবাদাম খেতে কমবেশি সবাই ভালোবাসে। তবে অনেকের ধারণা কাঠবাদাম ওজন বাড়িয়ে দেয়। আপনি জানেন কি, উল্টো ডায়েটে নিয়মিত কাঠবাদাম আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়ার জন্য অত্যন্ত চমৎকার একটি খাবার।
কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটি চুল ও ত্বকের জন্য ভালো। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন একমুঠো করে কাঠবাদাম খেলে এই উপকারগুলো পেতে সাহায্য করবে আপনাকে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে কাঠবাদাম। শরীরের ফোলাভাব কমায়। যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশ্বাস হচ্ছে না? সত্যি বলছি, কাঠবাদামের অনেক উপকারিতা। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর কাঠবাদাম রান্না করে খেলেও উপকার। ক্ষীর বা পায়েসের উপর গার্নিশ করেও খাওয়া যায়। উত্তর ভারতের খাদ্য তালিকায় বাদামি কোর্মা বলে একটি পদ খুব জনপ্রিয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সে পদটি কাঠবাদাম দিয়ে তৈরি হয়।
চিকিৎসকরা বলেন, এক বাটি পানিতে কাঠবাদামকে রাতভর ভিজিয়ে রাখলে উপরের বাদামি খোসাটি খুব সহজে বেরিয়ে আসে। খোসা বেরিয়ে আসার পর সাদা বাদামটিকে এক সপ্তাহ রেখে খেতে পারবেন। খোসা ছাড়ানো অবস্থায় খেলে কাঠবাদাম অনেক বেশি কার্যকরী হয়ে ওঠে।
কাঠ বাদামের উপকারিতা :
১. হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ভেজানো আমন্ড। প্রয়োজনীয় এনজ়াইম নিঃসরণে সাহায্য করে।
২. ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমন্ডে উপস্থিত মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট খিদে কমায় ও পেট ভরিয়ে রাখে।
৩. হৃদয় ভালো রাখে আমন্ড। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল (লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন) নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. ভেজানো আমন্ডে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস্ শরীরের ফোলাভাব কমায় ও অকালপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৫. ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে ভোজানো আমন্ডে উপস্থিত ভিটামিন B17।













Reviews
There are no reviews yet.