মরিয়ম ফুলের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে এই ফুলের ব্যবহার আবশ্যক।
এই ফুলকে হযরত ঈসা আঃ এর মায়ের নাম নামানুসারে ‘মরিয়ম ফুল বা মরিয়ম বুটি বলা হয়ে থাকে। নবী সাঃ এর কন্যা ফাতিমার নামানুসারে “ফাতিমার হাত বা হ্যান্ড অব ফাতিমা” এবং এর বৈশিষ্ট্য অনুসারে ‘পুনরুত্থান উদ্ভিদ’ ও বলা হয়।
মহানবীর যুগে প্রচলিত বিবি মরিয়মের ইতিহাস থেকে জানা যায় যে এই কুদরতি ফুলটি আল্লাহর রহমতে গর্ভবতী হতেও সহায়তা করে এবং লেবার পেইন কমিয়ে দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন হয়ে যায়।
আজকাল অনেকেই হজ্বে গিয়ে এই মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন অথবা অন্যকে দিয়ে আনিয়ে থাকেন। এত কষ্ট কিসের!!
আর কোন অপেক্ষাও করতে হবে না! চলে আসুন নুরবাজারে, অর্ডারের দুই দিনের মধ্যেই আমাদের কাছে পেয়ে যাবেন, চট্টগ্রাম হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি পাবেন ইনশাআল্লাহ।
আমরা প্রতিনিয়ত আপনাদের জন্য সৌদি থেকে মরিয়ম ফুল আমদানি করে যাচ্ছি, ১০০% গুণগত মানের নিশ্চয়তা,আমাদের কাছে পাবেন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের।
মরিয়ম ফুল ও বিজ্ঞান-
মরিয়ম ফুল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের গর্ভাবস্থায় এবং ডেলিভারির সময় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম হল আনস্ত্যাটিকা হিয়ারোচুনিচিকা (Anastatica Hierochuntica) । এটি সাহারা-আরবীয় মরুভূমিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।
উপাদানএই ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা। বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।
প্রসবকালীন সময় এই ফুল বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রসূতি মায়ের প্রবস বদেনা লাঘব হয় এবং দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন করা যায়। যারা বাচ্চা কন্সিভ করতে চান তারা শেকড় ভিজিয়ে রেখে তার পানিটা তাহাজ্জুদ নামাজের আগে এবং পরে নিয়ত করে খাবেন এবং এটি অবশ্যই ফযরের নামাজ পড়ার আগেই খেয়ে নিতে হবে।
এই ফুল দেখতে খটখটে শুকনো ও মরা মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই তরতর করে পাপড়ি মেলতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটন্ত ফুলের মতো তাজা আর পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে যায়। এটি এক আশ্চর্য ফুল।













Reviews
There are no reviews yet.